বাংলাদেশের নির্বাচনে রাজনৈতিক দলের ইশতেহার
বিভিন্ন নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলো কী প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল — গবেষক, সাংবাদিক ও নাগরিকদের জন্য তৈরি এই তথ্যভাণ্ডার।
আলী রীয়াজ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫-এর ওপরে গণভোট অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে। এতে ৫০ টি রাজনৈতিক দল অংশ নিচ্ছে, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সংখ্যা ১,৯৮১; যার মধ্যে ২৪৯ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী। মোট ভোটারের সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৫ জন।
২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট জোটসহ মোট ৩৯টি দল থেকে ১৭২০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন, এছাড়া ১২৮ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন। মোট ভোটার ছিলেন ১০ কোটি ৪১ লাখ ৯০ হাজার ৪৮০ জন।
২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৩৮টি রাজনৈতিক দলের ১৪১৬ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী অংশগ্রহণ করেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নেন ১৫১ জন। এতে ৫৯ জন নারী প্রার্থী অংশ ছিলেন। মোট ভোটার ছিলেন ৮ কোটি ১০ লাখ ৮৭ হাজার ৩ জন, নির্বাচনে ৮৭.১৩ শতাংশ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
২০০১ সালের ১ অক্টোবর অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ৩০০টি আসনের বিপরীতে ৪৮৪ জন স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ ৫৪টি দল থেকে মোট ১৯৩৫ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নেন। মোট ভোটার ছিলেন ৭ কোটি ৪৯ লাখ ৪৬ হাজার ৩৬৪ জন। ৭৪.৯৭ শতাংশ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
১৯৯৬ সালের ১২ জুন সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৮১টি রাজনৈতিক দল থেকে মোট ২৫৭৪ জন প্রার্থী অংশ নেন। এছাড়া ২৮১ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। মোট ভোটার ছিলেন ৫ কোটি ৬৭ লাখ ১৬ হাজার ৯৩৫ জন। ৭৫.৬ শতাংশ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৩০০টি আসনে ৭৫টি রাজনৈতিক দল থেকে মোট ২৭৮৭ জন প্রার্থী অংশ নেন। এ ছাড়া ৪২৪ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। মোট ভোটার ছিলেন ৬ কোটি ২১ লাখ ৮১ হাজার ৭৪৩ জন। ৫৫.৪৫ শতাংশ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।